যমুনা বার্তা ডেস্ক
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। মুমিনের জীবনের সমস্ত কাজ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। এ জন্য এক মুমিন সবসময় আল্লাহর হুকুম এবং রাসুলের (সা.) আদর্শ অনুসরণ করে থাকেন।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হে নবী আপনি তাদের বলে দিন- যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ৩১
অন্যান্য
আল্লাহর কাছে বেশি পছন্দনীয় ৩ আ
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। মুমিনের জীবনের সমস্ত কাজ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। এ জন্য এক মুমিন সবসময় আল্লাহর হুকুম এবং রাসুলের (সা.) আদর্শ অনুসরণ করে থাকেন।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হে নবী আপনি তাদের বলে দিন- যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ৩১)
ইবনু মাস্’ঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) জিজ্ঞেস করলাম, কোন কাজ (আমল) আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়? তিনি (রাসুল সা.) বললেন, সঠিক সময়ে সালাত (নামাজ) আদায় করা। আমি বললাম, এরপর কোন কাজ? তিনি বললেন, মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোন কাজ? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২, মেশকাত, হাদিস: ৫৬৮)
নামাজ
উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামাজ) যা আল্লাহ তা’য়ালা (বান্দার জন্য) ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ সালাতের জন্য ভালোভাবে অজু করবে, সঠিক সময়ে আদায় করবে এবং এর রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণরূপে করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা রয়েছে যে, তিনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে তা না করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, আবার ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। (মেশকাত, হাদিস: ৫৭০)
মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার
কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তার সঙ্গে কোনোকিছুকে শরিক করো না। আর সদ্ব্যবহার করো মাতা-পিতার সঙ্গে, নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে, ইয়াতিম, মিসকীন, প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সঙ্গী, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক ও অহংকারী।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৩৬)
কোরআনে আরও বলা হয়েছে, আর তোমার রব আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদাত করবে না এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণ করবে। তাদের একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে ‘উফ’ বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না। আর তাদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো। (সুরা বনি-ইসরাঈল, আয়াত: ২৩)
আল্লাহর পথে জিহাদ
আবু হুরায়রাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহর পথে মুজাহিদদের তুলনা ওইরূপ সায়িমের (রোজাদারের) ও সালাত আদায়রত অবস্থায় তিলাওয়াতকারীর ন্যায়, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদের ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত সিয়াম পালনে ও সালাত আদায়ে নিমগ্ন থাকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৫৯৬, মেশকাত, হাদিস: ৩৭৮৮)